০৯:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪, ৯ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বিজ্ঞপ্তি

কিশোরগ্যাং এর অত্যাচারে অতিষ্ঠ আমিন কলোনির এলাকাবাসী

প্রতিনিধির নাম

চট্টগ্রামে বায়েজিদ বোস্তামীতে সক্রিয় কিশোর গ্যাংগুলোহে রাত্রে বেলায় চুরি ডাকাতি,রাহাজানি চিন্তায় করে। এলাকার মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেই দিনের বেলায় প্রভাত কাটিয়ে ছলে এলাকার। এখন রীতিমতো আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে তাদের বেপরোয়া কর্মকাণ্ডে অতিষ্ঠ আমিন জুট মিলস্ এলাকার আলি নগরবাসী।
এসব কিশোর গ্যাং গুলো নিজ নিজ এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের জন্য দলবদ্ধ হয়ে করছে মারামারি। এদেরকে মদ, গাঁজা, হিরোইন, ফেন্সডিল ও ইয়াবাসহ নানা রকমের নেশায় আসক্ত করে ফায়দা লুটছে মাদক ব্যবসায়ীরা। আবার নেশার টাকা জোগাড় করতে এই সব কিশোর গ্যাং চুরি, ছিনতাই এমনকি খুন পর্যন্ত ও করে ফেলছে।
জানা যায়, গত ২৭শে এপ্রিল ২০২৩ইং তারিখ রাত আনুমানিক ৯:৩০ ঘটিকায় বায়েজিদ বোস্তামী থানার আমিন কলোনির, আমিন লেবারর রোড, ১০নং ব্যাচেলার কোয়ার্টারের দক্ষিণ পাশে কিশোর গ্যাংয়ের সক্রিয় সদস্যরা, দলবদ্ধ হয়ে মুক্তিযোদ্ধা নূর মোহাম্মদের বাড়িতে চাঁদার দাবিতে অতর্কিত হামলা চালায়। এতে মুক্তিযোদ্ধার ছেলে ফারুক কিশোর গ্যাংদের বাধা প্রদান করিলে তাকে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে সারা শরীর জখম করে। রক্তাক্ত অবস্থায় মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ফারুক চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। ছেলের চিকিৎসা শেষে বাবা মুক্তিযোদ্ধা নুর মোহাম্মদ বাদী হয়ে সিএমপি’র বায়েজিদ বোস্তামী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। যাহার মামলা নং ০২/১৯৪। মামলার আসামিরা হলেন ১.মেহেদী (২৫) পিতা-ইদ্রিস মিয়া। ২. রমজান (২৩) পিতা- ওসমান, ৩. রাকিব(১৯) পিতা- শাহাআলম,৪.মামুন(১৭) পিতা হৃদয়, ৫.সেলিম (২৫),৬.মালু(২৬), ৭.রমজান(২২) ও ৮.মো:সুজন (১৯)। তাছাড়াও ৭/৮ জন অজ্ঞাতনামা হিসাবে এ মামলায় আসামী করা হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয়রা বলেন, এ সকল কিশোর গ্যাংদের অত্যাচারে আমরা রাতে ঘুমাতে পারি না। সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসলেই আমাদের এলাকায় কিশোর গ্যাং সদস্যরা সক্রিয়ভাবে সঙ্ঘবদ্ধ হয়ে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে প্রতিটি বাড়িতে ঢুকে চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অস্বীকার করলেই প্রতিটি পরিবারে নেমে আসে ভয়ানক অন্ধকার। আমরা এ সকল কিশোর গ্যাংদের অত্যাচার থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি।
বায়েজিদ বোস্তামী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ফেরদৌস জাহান বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকাকে, বলেন, এ বিষয়ে থানায় মামলা হয়েছে । আসামিদের দ্রুত গ্রেফতারের চলমান প্রক্রিয়া দিন আছে। অত্র এলাকায় আমি যতদিন বায়েজিদ থানার ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব থাকবো।অত্র এলাকায় কখনোই সন্ত্রাসীরা প্রভাব বিস্তার করতে পারবে না। অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার প্রতিশ্রুতি দেন। অপরাধীদের। বিনষ্ট করার জন্য। বাংলাদেশ পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে।

ট্যাগস :
আপডেট : ০৮:৪২:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ মে ২০২৩
৫৬ বার পড়া হয়েছে

কিশোরগ্যাং এর অত্যাচারে অতিষ্ঠ আমিন কলোনির এলাকাবাসী

আপডেট : ০৮:৪২:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ মে ২০২৩

চট্টগ্রামে বায়েজিদ বোস্তামীতে সক্রিয় কিশোর গ্যাংগুলোহে রাত্রে বেলায় চুরি ডাকাতি,রাহাজানি চিন্তায় করে। এলাকার মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেই দিনের বেলায় প্রভাত কাটিয়ে ছলে এলাকার। এখন রীতিমতো আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে তাদের বেপরোয়া কর্মকাণ্ডে অতিষ্ঠ আমিন জুট মিলস্ এলাকার আলি নগরবাসী।
এসব কিশোর গ্যাং গুলো নিজ নিজ এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের জন্য দলবদ্ধ হয়ে করছে মারামারি। এদেরকে মদ, গাঁজা, হিরোইন, ফেন্সডিল ও ইয়াবাসহ নানা রকমের নেশায় আসক্ত করে ফায়দা লুটছে মাদক ব্যবসায়ীরা। আবার নেশার টাকা জোগাড় করতে এই সব কিশোর গ্যাং চুরি, ছিনতাই এমনকি খুন পর্যন্ত ও করে ফেলছে।
জানা যায়, গত ২৭শে এপ্রিল ২০২৩ইং তারিখ রাত আনুমানিক ৯:৩০ ঘটিকায় বায়েজিদ বোস্তামী থানার আমিন কলোনির, আমিন লেবারর রোড, ১০নং ব্যাচেলার কোয়ার্টারের দক্ষিণ পাশে কিশোর গ্যাংয়ের সক্রিয় সদস্যরা, দলবদ্ধ হয়ে মুক্তিযোদ্ধা নূর মোহাম্মদের বাড়িতে চাঁদার দাবিতে অতর্কিত হামলা চালায়। এতে মুক্তিযোদ্ধার ছেলে ফারুক কিশোর গ্যাংদের বাধা প্রদান করিলে তাকে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে সারা শরীর জখম করে। রক্তাক্ত অবস্থায় মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ফারুক চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। ছেলের চিকিৎসা শেষে বাবা মুক্তিযোদ্ধা নুর মোহাম্মদ বাদী হয়ে সিএমপি’র বায়েজিদ বোস্তামী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। যাহার মামলা নং ০২/১৯৪। মামলার আসামিরা হলেন ১.মেহেদী (২৫) পিতা-ইদ্রিস মিয়া। ২. রমজান (২৩) পিতা- ওসমান, ৩. রাকিব(১৯) পিতা- শাহাআলম,৪.মামুন(১৭) পিতা হৃদয়, ৫.সেলিম (২৫),৬.মালু(২৬), ৭.রমজান(২২) ও ৮.মো:সুজন (১৯)। তাছাড়াও ৭/৮ জন অজ্ঞাতনামা হিসাবে এ মামলায় আসামী করা হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয়রা বলেন, এ সকল কিশোর গ্যাংদের অত্যাচারে আমরা রাতে ঘুমাতে পারি না। সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসলেই আমাদের এলাকায় কিশোর গ্যাং সদস্যরা সক্রিয়ভাবে সঙ্ঘবদ্ধ হয়ে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে প্রতিটি বাড়িতে ঢুকে চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অস্বীকার করলেই প্রতিটি পরিবারে নেমে আসে ভয়ানক অন্ধকার। আমরা এ সকল কিশোর গ্যাংদের অত্যাচার থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি।
বায়েজিদ বোস্তামী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ফেরদৌস জাহান বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকাকে, বলেন, এ বিষয়ে থানায় মামলা হয়েছে । আসামিদের দ্রুত গ্রেফতারের চলমান প্রক্রিয়া দিন আছে। অত্র এলাকায় আমি যতদিন বায়েজিদ থানার ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব থাকবো।অত্র এলাকায় কখনোই সন্ত্রাসীরা প্রভাব বিস্তার করতে পারবে না। অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার প্রতিশ্রুতি দেন। অপরাধীদের। বিনষ্ট করার জন্য। বাংলাদেশ পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে।