নিজস্ব প্রতিবেদক
২০২৪ সালে সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের পাতানো নির্বাচনের নীল নকশা বাস্তবায়নকারী নেত্রকোনার সাবেক ডিসির (জেলা প্রশাসক) শাহেদ পারভেজের ইশারায় চলছে সমাজসেবা অধিদপ্তর।নিজস্ব অনুসন্ধানে জানা যায় বিগত ০৭ জানুয়ারী ২০২৪ এর নির্বাচন সামনে রেখে সাজানো ও প্রহসনমূলক নির্বাচনের নীলনকশা বাস্তবায়নের জন্য কট্টর আওয়ামী লীগ পন্থী বিসিএস ২৭ ব্যাচের কর্মকর্তাদের মাঠ প্রশাসনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদ জেলা প্রশাসক পদে পদায়ন করা হয়।তার অংশ জনাব শাহেদ পারভেজ ২০/০৭/২০২৩ তারিখে নেত্রকোনার ডিসি পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।এর আগে সরকারের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে তার ও তার পরিবারের আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্টতা নিশ্চিত করা হয়।এরপর থেকেই তিনি তৎকালীন ফ্যাসিবাদী সরকারের বিভিন্ন এজেন্ডা বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ২০২৪ সালের ০৭ জানুয়ারি সংঘটিত দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে নেত্রকোনায় আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের বিজয় নিশ্চিত করতে তিনি সর্বশক্তি নিয়োগ করেন।বিগত জুলাই বিপ্লব দমন করতেও তিনি তার সর্বাত্মক চেষ্টা অব্যাহত রাখেন এবং এই আন্দোলনে ছাত্র জনতা বিরোধী ভূমিকা ও আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্টতা প্রশ্নাতীত ভাবে প্রমাণিত হওয়ায় মাঠ প্রশাসন থেকে তাকে প্রত্যাহার করা হয়।কিন্তু অত্যন্ত সুচতুর এই কর্মকর্তা সরকারের উচ্চ পর্যায়ে তদবির করে বাগিয়ে নেন সমাজসেবা অধিদপ্তরের পরিচালক প্রশাসনের পদ।পদায়ন হবার পর থেকে শুরু করেন বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকান্ড।০৫ আগস্ট জুলাই অভ্যুত্থানের পরে যে সকল আওয়ামী ফ্যাসিবাদের সুবিধাভোগী কর্মকর্তা হেড অফিসের বাইরে বদলী হয়েছিলেন শাহেদ পারভেজের হস্তক্ষেপে তাদের অনেকেই ফিরতে শুরু করেন।এছাড়া বিভিন্ন সময়ে অধিদপ্তরে ফ্যাসিবাদের দোসরদের পৃষ্ঠপোষকতা করে তিনি সমাজসেবা অধিদপ্তরে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি শুরু করেছেন। তার প্রত্যক্ষ সহযোগিতা ও তৎপরতায় চিহ্নিত ফ্যাসিস্ট আওয়ামীপন্থী কর্মকর্তারা এখনো বহাল তবিয়তে সমাজসেবা অধিদপ্তরে বহাল রয়েছে।এ নিয়ে অধিদপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সমাজসেবা অধিদপ্তরের একজন কর্মকর্তা বলেন ফ্যাসিবাদের দোসর এই কর্মকর্তা তার স্বগোত্রীয় আওয়ামী লীগের দালালদের পুনর্বাসনের মাধ্যমে একটা দমবন্ধ হওয়া পরিবেশ সৃষ্টি করেছেন।এতে জুলাই বিপ্লবের সুফল বঞ্চিত হচ্ছে সমাজসেবা অধিদপ্তর।
এ বিষয়ে কথা বলার জন্য সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সাইদুল হক খানের সাথে কথা বলার জন্য তার মোবাইলে ফোন করা হলেও ফোন ধরেননি তিনি।
