অনলাইন ডেস্ক
নোয়াখালীর হাতিয়ায় ভোট দেওয়াকে কেন্দ্র করে নির্যাতনের অভিযোগ করা এক নারীকে দেখতে সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সেখানে যাচ্ছেন ডা. শফিকুর রহমান। তাঁর সঙ্গে যাওয়ার কথা রয়েছে নাহিদ ইসলামরও।
শনিবার রাতে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ওই নারীর সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলেন দুই নেতা। পরে তাঁরা ভুক্তভোগীর সঙ্গে সরাসরি দেখা করতে নোয়াখালী যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ভিডিও কলে জামায়াত আমির নির্যাতিতাকে নিজের বোন হিসেবে উল্লেখ করে তাঁর পাশে থাকার আশ্বাস দেন। অন্যদিকে নাহিদ ইসলামও ভুক্তভোগীর প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করে বলেন, পুরো দেশ তাঁর পাশে রয়েছে।
এ ঘটনায় স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, নির্বাচনে ‘শাপলা’ প্রতীকে ভোট দেওয়াকে কেন্দ্র করে ওই নারী ও তাঁর স্বামীর ওপর হামলা চালানো হয়। ভুক্তভোগীর দাবি, শুক্রবার রাতে স্থানীয় কয়েকজন যুবক তাঁদের মারধর করেন এবং তাঁর স্বামীকে আটকে রেখে আবদুর রহমান নামের এক ব্যক্তি তাঁকে ধর্ষণ করেন।
শনিবার বিকেলে গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বলে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন।
অভিযুক্ত আবদুর রহমান অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ঘটনার সময় তিনি নিজেই হামলার শিকার হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন, তাই তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ভিত্তিহীন।
এদিকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল–এর কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীমও হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, এ বিষয়ে প্রশাসনের কাছ থেকেই প্রকৃত তথ্য জানা যাবে।
নোয়াখালী জেলা পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি তাদের নজরে এসেছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
