ঢাকা | বঙ্গাব্দ

রমজান শুরুর আগেই বাজারে আগুন: লেবু, মাছ–মুরগি ও সবজির দামে চাপ

  • আপলোড তারিখঃ 19-02-2026 ইং |
  • নিউজটি দেখেছেনঃ 17857 জন
রমজান শুরুর আগেই বাজারে আগুন: লেবু, মাছ–মুরগি ও সবজির দামে চাপ ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত

অনলাইন ডেস্ক 


ঢাকার বাজারে রমজান শুরুর আগেই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে বড় ধরনের ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। লেবু, মাছ, মাংস, সবজি ফলসহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্যের দাম বেড়ে ভোক্তাদের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে।


বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ভালো মানের এক হালি লেবু এখন ১০০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দুই সপ্তাহ আগেও মাঝারি আকারের লেবু ২০ থেকে ৪০ টাকায় পাওয়া গেলেও বর্তমানে তা ৬০ টাকার নিচে মিলছে না। বড় আকারের লেবুর দাম আরও বেশি, ফলে একটি লেবুর দাম পড়ছে প্রায় ৩০ টাকা।


বিক্রেতাদের মতে, রমজানে চাহিদা বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি সরবরাহ কম থাকায় লেবুসহ বিভিন্ন পণ্যের দাম বেড়েছে। তবে কেউ কেউ অতিরিক্ত লাভের আশায় দাম বাড়িয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

সবজির দামও ঊর্ধ্বমুখী


ইফতারির বিভিন্ন উপকরণ হিসেবে ব্যবহৃত বেগুন, শসা, টমেটো গাজরের দাম বেড়েছে। বর্তমানে বেগুন কেজিতে ৮০ থেকে ১২০ টাকা এবং শসা ৮০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। টমেটো গাজরের দামও কেজিতে প্রায় ১০ টাকা বেড়েছে।


ছাড়া পেঁয়াজের দাম বেড়ে কেজিতে ৫৫ থেকে ৬০ টাকা এবং কাঁচা মরিচ ১৪০ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত বছরের তুলনায় এসব পণ্যের দাম কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা বেশি রয়েছে।


নিম্ন মধ্যম আয়ের মানুষের প্রধান আমিষের উৎস ব্রয়লার মুরগির দামও বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। দুই সপ্তাহ আগে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৬০ থেকে ১৭০ টাকায় বিক্রি হলেও এখন তা ২০০ থেকে ২২০ টাকায় পৌঁছেছে। সোনালি মুরগির দাম কেজিতে ৩২০ থেকে ৩৫০ টাকা।


বিক্রেতারা জানান, মুরগির বাচ্চার দাম বৃদ্ধি, শীতকালে খামারে মুরগির মৃত্যু এবং রমজানে চাহিদা বাড়ার কারণে এই মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে। তবে ফার্মের ডিমের দাম তুলনামূলক স্থিতিশীল রয়েছেডজনপ্রতি ১০৫ থেকে ১১০ টাকা।


চাষের তেলাপিয়া, পাঙাশ, রুই, কাতলাসহ বিভিন্ন মাছের দাম কেজিতে ২০ থেকে ৫০ টাকা বেড়েছে। মাঝারি আকারের রুই বা কাতলা এখন ৪০০ টাকার নিচে পাওয়া যাচ্ছে না।


ফলের বাজারেও একই চিত্র দেখা গেছে। আমদানি করা মাল্টা ৩১০ থেকে ৩৪০ টাকা এবং আপেল ৩৩০ থেকে ৪০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে, যা দুই সপ্তাহ আগের তুলনায় ৫০ থেকে ৮০ টাকা বেশি। দেশীয় ফলের মধ্যে কলার দাম ডজনপ্রতি ৩০ থেকে ৬০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।


খুচরা বিক্রেতারা জানান, বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ কিছুটা কমে গেছে এবং মিনিকেট চালের দাম কেজিতে থেকে টাকা বেড়েছে। তবে ছোলা, ডাল চিনির দাম মোটামুটি স্থিতিশীল রয়েছে।


রাজধানীর এক বাসিন্দা বলেন, রমজানে যেসব পণ্যের চাহিদা বেশি, প্রায় সবগুলোর দাম বেড়ে যাওয়ায় নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য বাজার করা কঠিন হয়ে পড়েছে। বাজার সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, রমজানের প্রথম সপ্তাহ পার হলে সরবরাহ স্বাভাবিক হলে কিছু পণ্যের দাম কমতে পারে।


নিউজটি পোস্ট করেছেনঃ Bangladesh Shomachar

কমেন্ট বক্স
notebook

নতুন একনেক গঠন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সভাপতি