বেড়া- সাঁথিয়া(পাবনা) প্রতিনিধি:
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সাবেক সংসদ সদস্য ৬৮, পাবনা-১ (বেড়া-সাঁথিয়া) নির্বাচনী এলাকার নেতা মরহুম মির্জা আব্দুল আউয়াল এর ৩৩তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে রোববার(২০/১০/২০২৪) বিকেলে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়। মরহুম আব্দুল আউয়াল মির্জা তার রাজনীতিক জীবনে এই এলাকার জনগণের প্রতি নিবেদিতপ্রাণ ছিলেন এবং তার সেবা ও অবদানের জন্য এলাকাবাসীর হৃদয়ে আজও স্মরণীয় হয়ে আছেন। দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, দৈনিক দিনকাল প্রত্রিকার ভারপাপ্ত সম্পাদক ও বেগম খালেদা জিয়ার বিশেষ সহকারী এ্যাড. শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসসহ তার সাথে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের একটি গুরুত্বপূর্ণ দলও উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ও পাবনা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব হাবিবুর রহমান হাবিব।বেড়া কলেজের সাবেক ভিপি শামসুর রহমান,বেড়া পৌর বিএনপির আহবায়ক ফজলুল রহমান ফকির, এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা।
অনুষ্ঠানের শুরুতে আব্দুল আউয়াল মির্জার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া পরিচালনা করা হয়। পরে মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ইসলামিক আলোচকরা মরহুমের জীবন ও কর্মের উপর বক্তব্য দেন। তার কর্ম ও সেবামূলক কার্যক্রমের জন্য এলাকাবাসীর ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার বিষয়টি উঠে আসে।
দোয়া মাহফিল শেষে প্রধান অতিথি রুহুল কবির রিজভী তার বক্তব্যে বলেন, শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে তাকে প্রচলিত আইনেরই বিচার করা হবে। ছাত্র জনতার আন্দোলনে তার ১৬ বছরের স্বৈর শাসনের অবসান হয়েছে। এখন যত তাড়াতাড়ি সম্ভব নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে। জনগণের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। ১৬ বছরে আমাদের জাতীয়তাবাদী দলের নেতা-কর্মীদের উপর অমানসিকনির্যাতন করা হয়েছে। তাই তিনি নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন এখন সময়ে এসেছে দলকে শক্তিশালী করার। দেশে জাতীয়তাবাদী শক্তিকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। তিনি আরো বলেন, শেখ হাসিনা আপনি পদত্যাগ করেন নাই , তাহলে কী ত্যাগ করেছেন ? চোখের জ্বল !! দেশে আসছেন না কেনো ? আচ্ছা তাহলে তিনি এখন কোথায়? দেশে আসছেন না কেন? তিনি কি তাহলে শশুরবাড়ীতে আছেন? দেশে এসে আইনের মুখোমুখী হন। আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক কাউয়া এখন কোথায়? তিনি বলেছিলেন দল ক্ষমতায় না থাকলে দেশে ৫ লাখ মানুষ মারা যাবে। কই সে কথা ।
এছাড়াও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ তাদের বক্তব্যে মরহুম মির্জার অবদানের কথা উল্লেখ করে বিএনপির বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং দলের করণীয় নিয়ে আলোচনা করেন।
